শীতের দুপুরে মাছে-ভাতে উৎসবে ১৬ রকমের পদ, ভিড় জমেছে মেলায়

শীতের ঠান্ডা আর মেঘলা আকাশের মধ্যেও দুর্গাপুরের রবীন্দ্র ভবনে জমজমাট ছিল ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ উৎসব। রবিবার দুপুরে প্রায় ১৭০০ মানুষ মাছের হরেক পদ চেটেপুটে সাবড়ে দিলেন।
উৎসবে মোট ১৬ রকমের মাছ ছিল। কাতলা মাছের কালিয়া, দই রুই, ভেটকি পাতুরি, চিংড়ির মালাইকারি বা শুঁটকি মাছের টকে জমিয়ে উৎসব আর বাঙালির প্রাণে তাজা বাতাস।
তিন বছর ধরে পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাছে-ভাতে উৎসবের আয়োজন করছে একটি সংগঠন। তাদের লক্ষ্য, শৈশব, কৈশোরে মাছকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা।
উৎসবের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। তিনি বলেন, “খাদ্য রসিকদের জন্য মাছে-ভাতে বাঙালি উৎসব সত্যি অভিনব। আনন্দ করে মাছ খাচ্ছেন সবাই।”
উৎসবে অংশগ্রহণকারী শ্রেয়াঙ্কা রায় বলেন, “এই প্রথম উৎসবে এসেছি। দারুণ অভিজ্ঞতা হলো। পাবদা, কাতলা, চিংড়ি, শুঁটকি আর ইলিশ মাছের বিভিন্ন পদ খেয়েছি। এতেই পেট ভরে গিয়েছি।”
বাবলি দত্তরায় বলেন, “মৌরলা, ইলিশ, বাটার মতো মাছের ৮ রকমের পদ খেয়েছি। সবই খুব সুস্বাদু ছিল।”
উৎসবের আয়োজকরা জানান, এবারের উৎসবে প্রচুর মানুষ এসেছেন। তারা আশা করেন, আগামী বছর আরও বেশি মানুষ এই উৎসবে অংশ নেবেন।