DA না বাড়লেও ফের বাড়ল ছুটি, কবে মিলবে? নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার শিখ সম্প্রদায়ের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘প্রকাশ পুরব’ উপলক্ষ্যে সেকশনাল ছুটি ঘোষণা করেছে। অর্থাৎ, এই ছুটির দিন শুধুমাত্র শিখ সম্প্রদায়ের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পাবেন। বাকিদের অন্য দিনের মতই কাজ করতে হবে।

‘প্রকাশ পুরব’ শিখ ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব। এই উৎসবে শিখ ধর্মাবলম্বীরা গুরু গোবিন্দ সিংহের জন্মদিন উদযাপন করেন।

রাজ্য অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত রাজ্য সরকারী কর্মচারী, শিক্ষক, পঞ্চায়েত এবং পৌরসভার কর্মচারী, রাজ্য বোর্ড, কর্পোরেশন এবং উদ্যোগের কর্মচারী ইত্যাদি শিখ সম্প্রদায়ের ‘সেকশনাল’ ছুটি হবে।”

এই ছুটির ঘোষণা নিয়ে শিখ সম্প্রদায়ের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধিতে অসন্তোষ

এদিকে, রাজ্য সরকার একের পর এক ছুটি দিলেও খুশি নন রাজ্য সরকারি কর্মীদের অধিকাংশ। কারণ তারা কাঙ্খিত ডিএ পাচ্ছেন না।

সম্প্রতি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মচারীদের জন্য আরও ৪ শতাংশ ডিএ (DA) ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজ্য জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি থেকেই বর্ধিতহারে ডিএ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা। আগে ৬ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। সম্প্রীতি ৪ শতাংশ বেড়ে তার পরিমাণ হয়েছে ১০ শতাংশ।

ওদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় খুশি হননি সরকারি কর্মীদের অধিকাংশ। বহুদিন ধরেই কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন তারা। বর্তমানে ৪৬ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন কেন্দ্রের কর্মচারীরা। নতুন বছরের শুরুর দিকে ফের তা বৃদ্ধি পেলে কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের ভাতার পরিমাণ ৫০% ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৪% ঘোষণার পরেও রীতিমতো অসন্তোষের সুর রাজ্য সরকারি কর্মীদের কণ্ঠে। লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। আগামী ১৯ জানুয়ারি মহামিছিলের ডাক দিয়েছেন তারা। ধর্মঘটেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামীকাল শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রীকে তাদের সঙ্গে দেখা করতে হবে বলে দাবি তুলেও তারা সরব হয়েছেন।