“এবার আন্তর্জাতিক আদালত…”, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিষেকের মামলা নিয়ে কটাক্ষ দিলীপের

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দেওয়ার পর বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে মুখ খুলে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ অভিষেকের সমালোচনা করেছেন।
দিলীপ ঘোষ বলেন, “বিচারপতির মন্তব্য নিয়ে অভিষেক সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। এটা হাস্যকর। আদালতে যেতে যেতে সারা জীবন কেটে যাবে। এবার ওদের আন্তর্জাতিক কোর্টে যেতে হবে।”
দিলীপের মতে, আদালতের দ্বারস্থ হয়ে কাজের কাজ কিছু হবে না। তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই তো নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। তাই বিচারপতির মন্তব্য নিয়ে এত ক্ষেপে যাওয়ার কিছু নেই।”
অন্যদিকে, নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে হাইকোর্ট একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন অভিষেক। এই বিষয়ে দিলীপ বলেন, “নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলেই বোঝা যাবে কে সাধু আর কে চোর।”
শুক্রবার রাজ্যের তিন নেতা-মন্ত্রীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এ প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “তদন্ত চলছে, তদন্তের আগে কেউ সাধু নয় কেউ চোর নয়! তদন্ত শেষ হলেই বোঝা যাবে কে সাধু আর কে চোর।”
দুদিন আগেই ‘এক দেশ এক ভোট’ নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নীতির বিরোধিতা করে সংশ্লিষ্ট কমিটিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আবেদন করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক কিছুই মানেননি। উনি রাম মন্দির মানেননি, GST মানেননি, নোট বন্দি মানেননি, তবে সবকিছুই হয়েছে। বরং উনাকে মানুষ মানবে কিনা ২০২৪ এ সেই পরীক্ষাই হবে।”
অন্যদিকে, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে শুক্রবার ইডি আধিকারিকদের তল্লাশির পর রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং মন্ত্রী। এমার্জেন্সি বিভাগের মন্ত্রী হওয়া সত্বেও পালটা দিলীপ ঘোষের দাবি, শুধু দমকল মন্ত্রীর ফোন নয়, সব মন্ত্রীর ফোনই তল্লাশি করা উচিত।