সুগার থেকে শুরু করে অ্যান্টিবায়োটিক, শীঘ্রই একাধিক ওষুধের বাড়তে পারে দাম?

জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে নিয়মের বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এই নিয়ম মানতে গেলে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে বিপুল খরচ করতে হবে। অনেক সংস্থা এই খরচ বহন করতে না পেরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে বাজারে ওষুধের ঘাটতি দেখা দিতে পারে এবং দাম বাড়তে পারে।
গত বছরের জুলাই মাসে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এই নিয়ম অনুযায়ী, মাঝারি ও ছোট সংস্থাগুলির ক্ষেত্রেও শিডিউল M বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শিডিউল M হল ওষুধ তৈরির একটি উচ্চ মানের মানদণ্ড। এই মানদণ্ড মেনে ওষুধ তৈরি করতে গেলে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে নতুন যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কিনতে হবে। এছাড়াও, কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্যও খরচ করতে হবে।
ছোট ও মাঝারি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির দাবি, এই নতুন নিয়ম মানতে গেলে তাদের প্রতিটি ওষুধের দাম 20 থেকে 30 শতাংশ বাড়াতে হবে। কারণ, নতুন নিয়ম মেনে ওষুধ তৈরির খরচ তাদের অনেক বেড়ে যাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ছোট ও মাঝারি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি আন্দোলন শুরু করেছে। তারা দাবি করছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের ওষুধ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সাধারণ মানুষ ওষুধের দাম বাড়ার কারণে সমস্যায় পড়বে।
ওষুধের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বাড়বে। তাই, সরকারকে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির দাবি বিবেচনা করে নতুন নিয়মের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া উচিত।