মালদ্বীপ নয় ঘুরে আসুন লাক্ষাদ্বীপ, সংঘাতের আবহেই বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লাক্ষাদ্বীপ সফরকে কেন্দ্র করে ভারত ও মলদ্বীপের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। মলদ্বীপের তিন মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যের পর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক টানাপোড়েন চলছে। ঠিক এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রশাসিত এই দ্বীপ অঞ্চলে চালু হতে চলেছে একটি নতুন বিমানবন্দর।

লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপে নির্মিত এই বিমানবন্দরে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান ওঠা-নামার উপযোগী রানওয়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় উদ্যোগে নতুন এই বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে ভবিষ্যতে সামরিক এবং অসামরিক দুই ক্ষেত্রের কথা চিন্তা করেই।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের একাধিপত্য কায়েম করার চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই বিমানবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। চীন এই অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। ভারতও এই অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার চেষ্টা করছে।

মলদ্বীপের নতুন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজু ‘চিন ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সাথে মলদ্বীপের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে লাক্ষাদ্বীপে নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশক।

এই বিমানবন্দর চালু হলে ভারতের সাথে মলদ্বীপের সম্পর্ক আরও তিক্ত হতে পারে। তবে, ভারতের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার লক্ষ্যে এই বিমানবন্দর নির্মাণ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।