Weather: ঠাণ্ডায় কাঁপছে দিল্লি, শুক্রবার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস! কেমন থাকবে বড়দিনের আবহাওয়া?

আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মরশুমে ভারতে শীতকাল অপেক্ষাকৃত উষ্ণ হবে। কিন্তু ডিসেম্বরের শেষে এসে দিল্লিসহ উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)।

শুক্রবার সকাল থেকেই দিল্লির আকাশ ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে। দৃশ্যমানতা প্রায় নেই বললেই চলে। IMD-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিল্লিতে শুক্রবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। মূলত রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হবে রাজধানীর বিভিন্ন অংশে। শনিবারও দিনভর মেঘলা থাকতে পারে আকাশ। তবে ক্রিসমাসের সকাল থেকেই রোদ ঝলমলে আকাশের দেখা মিলবে।

দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পাঁচ ডিগ্রি নীচে নেমে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার রাজধানী শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম।

তবে কিছুতেই কমছে না দূষণ সূচক মাত্রা। শুক্রবার সকাল থেকেই এই মাত্রা অতিরিক্ত খারাপ বলে জানিয়েছে পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড। ৩৬১-তে পৌঁছে গিয়েছে দিল্লির AQI।

এদিকে, আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, পঞ্জাব এবং হরিয়ানাতে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি রয়েছে। সবচেয়ে বেশি পারদ পতন হয়েছে লুধিয়ানাতে। সেখানে তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল ২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়াও পাটিয়ালাতে পারদ পৌঁছে যায় ৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অমৃতসরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উত্তর ভারত জুড়েই বাড়ছে শীতের দাপট। শৈত্যপ্রবাহ চলছে একাধিক রাজ্যে। অধিকাংশ সমতলভাগেই তাপমাত্রা নিম্নমুখী। এদিকে, মহারাষ্ট্রেও হু হু করে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করতে শুরু করেছে। বিদর্ভ, উত্তর মহারাষ্ট্রে শুষ্ক আবহাওয়া রয়েছে। পারদ পতন শুরু হয়েও কনকনে ঠান্ডা এখনও স্থায়ী হয়নি। গোন্দিয়ায় সবচেয়ে কম ছিল পারদ (৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। মধ্য প্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং ওডিশায় ৪ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

কুয়াশাচ্ছন্ন থাকবে অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরাও। ২৩ এবং ২৪ তারিখ উত্তর পূর্ব ভারতের এই রাজ্যগুলিতে কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস রয়েছে।

একদিকে যখন পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত উত্তর ভারতে ঠান্ডা আরও তীব্র করে তুলেছে। দক্ষিণ ভারতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। দক্ষিণ তামিলনাড়ুর থুথুকুদি, তিরুনেভেল্লি, তেনকাসি এবং কন্যাকুমারীতে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। রাজ্যে কার্যত বন্যা পরিস্থিতি। চলছে উদ্ধারকাজ। বন্ধ রাখা হয়েছে সমস্ত স্কুল।