বছরের পর বছর অন্ধকারে গ্রাম, দ্রৌপদীর ‘ছোঁয়ায়’ শেষ পর্যন্ত গ্রামে আসছে বিদ্যুৎ

দীর্ঘকাল কেটে গেলেও নজরে আসেনি করোও, এমনকি তিনি তাজ্যের রাজ্যপাল ছিলেন সেই সময়েও তাঁর নিজের গ্রামে প্রবেশ করেনি বিদ্যুৎ। আর এবার তিনি বসতে চলেছেন আরও সুউচ্চ পদে। আর এবার তিনি রোযা নয় বসতে চলেছেন দেশের শীর্ষ পদে।
কোনো অঘটন না ঘটলে রাষ্ট্রপতি পদে বসা প্রায় নিশ্চিত বলা যেতে পারে। ইতিমধ্যে তিনি জমা দিয়েছেন মনোনয়ন। আর তাতেই যেন হয়ে গেলো ম্যাজিক। বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে এখন দ্রোপদী মুর্মুর গ্রামে।
ইতিমধ্যে ওড়িশা সরকার শনিবার ময়ূরভঞ্জ জেলার এনডিএ রাষ্ট্রপতি প্রাথী দ্রৌপদী মুর্মুর পৈতৃক গ্রাম উপবেরদার একটি অংশে বিদ্যুৎ আন্নার কাজ শুরু করেছে দীর্ঘকাল ধরে সেখানকার মানুষসহ ছিল আধারেই।
মূলত, তিনি রাষ্ট্রপতি হিসাবে এনডিএ’র প্রার্থী হচ্ছেন এই খবর সাংবাদ মাধ্যমের কাছে পৌঁছাতেই অনেকেই তাঁর গ্রামের মানুষদের বক্তব্য নিতে ছুটে যান। তা করতে গিয়েই বেরিয়ে আসে অন্য গল্প। মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সহজ বক্তব্য, গ্রামের মেয়ে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন অথচ তাঁর গ্রাম ডুবে গভীর অন্ধকারে। এতেই হয়েছে কাজ। বিদ্যুৎ আনার কাজ শুরু হয়েছে।
যদিও গ্রামের মেয়ে মুর্মু সেই গ্রামে এখন আর থাকেন না। কয়েক দশক আগেই তিনি কুসুমব্লকের অন্তর্গত উপর্বেদা থেকে প্রায় ২০ কিমি দূরে একটি পৌর শহর রায়রংপুরে চলে এসেছেন ও সেখানকার তিনি এখন স্থানীয় বাসিন্দা।