গেহলট না পাইলট, রাজস্থানে পুনরায় সরকার গড়লে মুখ্যমন্ত্রী কে? মুখ খুললেন সচিন

২৫ নভেম্বর রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে ক্ষমতায় ফেরার জন্য কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই নির্বাচনে সচিন পাইলটের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পাইলট ২০২০ সালে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হন। তবে কিছুদিন পরেই তিনি বিদ্রোহ প্রত্যাহার করেন। তবে এই বিদ্রোহের কারণে তিনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এবারের নির্বাচনে পাইলট রাজস্থানের টংক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তিনি কংগ্রেসের প্রচারণার অন্যতম মুখপাত্র।
বিজেপির প্রচারণায় ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’র কথা বলা হচ্ছে। বিজেপির দাবি, কেন্দ্র এবং রাজ্যে একই দলের সরকার থাকলে উন্নয়ন দ্রুত হবে। এই বিষয়ে পাইলট কটাক্ষ করে বলেন, “ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু হিমাচল প্রদেশে তো একটা ইঞ্জিন ফেল হয়ে গেছে। কর্নাটকেও আরেকটা ইঞ্জিন ফেল হয়ে গেছে।”
পাইলট দাবি করেন, রাজস্থানের ৭৬ শতাংশ মানুষের সমর্থন কংগ্রেসের দিকে রয়েছে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস রাজস্থানে ৩০ বছর ধরে একটানা নির্বাচনে জয়ী হয়নি। কেন জয়ী হয়নি, সে বিষয়ে আমাদের আত্মবিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে।”
পাইলট এবং গেহলটের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। তবে সম্প্রতি তারা ‘ক্ষমা কর ও ভুলে যাও’ নীতি গ্রহণ করেছেন। পাইলট বলেন, “আমরা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেছি। দল আমার উদ্বেগের কথা বিবেচনা করেছে। পুরনো দ্বন্দ্ব ভুলে ক্ষমা করে ছেড়ে দেওয়ার নীতিই গ্রহণ করতে বলেছে দলের হাইকমান্ড। আমার ফোকাস এখন একসঙ্গে কাজ করা। কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।”
পাইলটের ভূমিকা রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।