SPORTS: হেরে গেলেও তবু এই বিশ্বকাপ বিরাট কোহলির, জেনেনিন কেন?

শচীন টেন্ডুলকার বিশ্বকাপ জিতেছিলেন লম্বা ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে। বিরাট কোহলি ভাগ্যবান—আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখার তৃতীয় বছরে পরেছিলেন বিশ্বজয়ের মুকুট। এক যুগ আগে শচীনকে কাঁধে নিয়ে কোহলির মুম্বাইয়ের পুরো ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ঘুরে বেড়ানো ক্রিকেট বিশ্বেরই আইকনিক দৃশ্য হয়ে আছে। যেন এই ভক্তি ও ভালোবাসা দিয়ে ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’ থেকে বর চেয়ে নিচ্ছিলেন কোহলি।

এরপরই ‘কিং’ হয়ে ওঠা তাঁর। ২০১১ বিশ্বকাপের আগে ওয়ানডেতে যাঁর সেঞ্চুরি ছিল ৪টি, সেটি এখন ছুঁয়েছে ৫০—ভেঙে দিয়েছেন এক দিনের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড।

এই বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনে কোহলির অসাধারণ প্রতিভা, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রম অবশ্যই রয়েছে। তবে, শচীনের কাছ থেকে পাওয়া বরও তার সাফল্যের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

শচীন টেন্ডুলকার একজন সত্যিকারের ক্রিকেট মাস্টার। তিনি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ক্রিকেটের সমস্ত দিক সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছেন। সেই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা তিনি কোহলির সাথে শেয়ার করেছেন।

শচীন কোহলিকে ক্রিকেট সম্পর্কে যে শিক্ষা দিয়েছেন, তা কোহলিকে একজন পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেটার হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। সেই শিক্ষার ফলে কোহলি তার প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন।

শচীন-কোহলির এই সম্পর্কটি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। এই সম্পর্কটি প্রমাণ করে যে, একজন গুরু তার ছাত্রের সাফল্যের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

শচীন টেন্ডুলকারের কাছ থেকে বর পাওয়ার মাধ্যমে বিরাট কোহলি যেন ক্রিকেটের জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করেছেন। এই যুগে কোহলির নেতৃত্বে ভারত ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

আশা করি, কোহলি শচীনের মতোই দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *