SPORTS: অর্জুন রানাতুঙ্গার অভিযোগ, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে ধ্বংস করছেন ভারতের জয় শাহ

বিশ্বকাপে চরমভাবে ভরাডুবি ঘটেছে শ্রীলঙ্কার। সব মিলিয়ে নবম হয়েছে লঙ্কানরা। যার ফলে ২০২৫ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে পারবে না তারা। এরই মধ্যে বিশ্বকাপে ভরাডুবিকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের ওপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ চালিয়েছে শ্রীলঙ্কান সরকার। বোর্ডে দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।

এ নিয়ে যখন টালমাটাল অবস্থান, তখন লঙ্কান ক্রিকেটের এই পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব জয় শাহকে দায়ী করেছেন দেশটির বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক অর্জুনা রানাতুঙ্গা।

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য কিছুদিন আগে লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড ভেঙে দেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী রোশান রানাসিংহে। এরপর আদালত আবার সেই বোর্ডকে পুনর্বহাল করেন এবং দুই সপ্তাহ পর চূড়ান্ত শুনানি করা হবে বলে জানায়। এরই মধ্যে লঙ্কান পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে ক্রিকেট বোর্ড ভেঙে দেয়ার জন্য প্রস্তাব পাশ হয়। এরপরই আসে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা।

অর্জুনা রানাতুঙ্গার দাবি, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে আসলে ধ্বংস করে দিতে চাইছে। এর জন্য যাবতীয় কলকাঠি নাড়ছেন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব জয় শাহ। শ্রীলঙ্কার এক সাংবাদিক সামারাবিক্রমাকে তার ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই বিস্ফোরক এই দাবি করেছেন রানাতুঙ্গা। লঙ্কার সাংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর সেখান থেকেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

৫৯ বছর বয়সী তারকা প্রাক্তন এই ক্রিকেটার দাবি করেছেন, ‘শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে জয় শাহ নিয়ন্ত্রণ করছেন।’ তিনি তার বাবার (ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ) প্রভাব খাটিয়ে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে ধ্বংস করছেন, ‘তিনি ক্ষমতাধর, কারণ তার বাবা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’

রানাতুঙ্গার অভিযোগ, লঙ্কান বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গে জয় শাহর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে যে, সকলেই যেন বিসিসিআই-এর আজ্ঞাবহ। তিনি বলেছেন, ‘এসএলসি-র কর্মকর্তা এবং জয় শাহর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে বিসিসিআই-এর ধারণা, ওরা এসএলসি-কে চাইলেই পদদলিত এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ভারতের এক ব্যক্তি শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। তার চাপে এসএলসি তছনছ হয়ে যাচ্ছে।’

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *