বিয়ের পরই এলো দুঃসংবাদ! সরকারি বাংলো ছাড়তে হবে পরিণীতির স্বামী রাঘবকে ?

বিয়ের পরই বিপাকে পড়েছেন আপ সাংসদ রাঘব চড্ডা। দিল্লির সরকারি বাংলোর বরাদ্দ বাতিল হয়ে গেল তাঁর। ফলে অবিলম্বে তাঁকে বাংলোটি ছাড়তে হবে।

গত কয়েকমাস ধরেই রাঘব চড্ডার সঙ্গে সরকারি বাংলো নিয়ে কেন্দ্রের বিবাদ চলছিল। গত ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁকে ৬ ক্যাটেগরির বাংলো দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, রাঘব চড্ডা দিল্লির পান্ডারা রোডে ৭ ক্যাটেগরির বাংলো দেওয়ার জন্য রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করেন। তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করা দূরস্ত, বরং চলতি বছরের মার্চে সেই বাংলোটি বাতিল করে তাঁকে ৫ ক্যাটেগরির একটি বাংলো বরাদ্দ করে কেন্দ্র।

এরপরই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন রাঘব চড্ডা। দিল্লির পাটিয়ালা কোর্টে মামলাটি ওঠে। আদালত প্রথম আম আদমি পার্টির এই নেতাকে বাংলো ছাড়ার নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়। এপ্রিল মাসের এই রায়ের পর তিনি দিল্লির পান্ডারা রোডে ৭ ক্যাটেগরির বাংলোতেই বসবাস করছিলেন।

কিন্তু, শুক্রবার ফের আদালতে শুনানি হয় এই মামলায়। পাটিয়ালা কোর্টের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সরকারি বাংলো বরাদ্দ বাতিল হওয়ার পরেও সেটি দখল করে রাখার কোনও অধিকার রাঘব চড্ডার নেই।

রাঘব চড্ডা বলেন, “ইচ্ছামতো সরকারি বাসস্থানের বরাদ্দ বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। আমায় কোনও যথাযথ নোটিশ দেওয়া হয়নি। ৭০ বছরে রাজ্যসভার ইতিহাসে এই প্রথম কোনও বর্তমান সাংসদকে তাঁর নামে বরাদ্দ হওয়া সরকারি বাংলো থেকে উৎখাত করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে আমি এই বাংলোতে বসবাস করছি। রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে আরও চার বছর মেয়াদ রয়েছে আমার।”

BJP সরকারের উপর দোষারোপ করে রাঘব চড্ডা বলেন, “যা ঘটনা ঘটল, তাতে আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, BJP-র অঙ্গুলিহেলনেই এমন হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই আমার সঙ্গে এমনটা করা হচ্ছে। রাজ্যসভায় নানা বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের বিরোধিতা করে আমি সরব হয়েছি। সে কারণেই আমার সঙ্গে এ হেন আচরণ। প্রথমে সাংসদ হিসেবে সাসপেন্ড হওয়া এবং তারপর সরকারি বাংলো ছাড়তে বলা আধতে BJP-র প্রতিহিংসার রাজনীতির প্রতিফলন।”

বাংলো ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে আবেদন

রাঘব চড্ডা বাংলো ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতে পারেন বলে জানা গেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *