‘মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে দেশকে পথ দেখিয়েছেন মমতা’, লোকসভায় মন্তব্য TMC সাংসদের

সংসদের বিশেষ অধিবেশনের তৃতীয় দিন মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কাকলী ঘোষ দস্তিদার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে এই বিল আনা হয়নি কেন? কেন লোকসভা নির্বাচনের আগেই এই বিল নিয়ে আসা হচ্ছে?
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কৃতীত্ব দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজ্য দেখে গোটা দেশের শেখা উচিত।'”পারলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত ৪০ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ করে দেখান। গোটা দেশের মধ্যে বাংলায় মহিলারা সব থেকে বেশি সুরক্ষিত।” একইসঙ্গে তিনি ইসরোর মহিলা বিজ্ঞানীদের কেন বেতন বন্ধ করে রাখা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ইসরোর মহিলা বিজ্ঞানীদের বেতন প্রসঙ্গে কাকলীর দাবি নস্যাৎ করে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তিনি বলেন, ইসরোর বিজ্ঞানীরা নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন।
এদিকে, রাঁচির এক টেকনিশিয়ান দীপক কুমার উপ্রারিয়া চন্দ্রযান-৩ মিশনের একজন গুরুত্বপূর্ণ টেকনিশিয়ান। তিনি গত ১৮ মাস ধরে বেতন পাননি। বকেয়া বেতনের জন্য লড়াই করছেন HEC-এর বাকি কর্মচারিদের সঙ্গে। কিন্তু, দু’বেলা দু’মুঠো অন্নের সংস্থানের লক্ষ্যে তাঁকে রাস্তার ধারে ইডলি বিক্রি করতে হচ্ছে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে ‘আমরা-ওরা’ চলছে। সংসদে এদিন এই বিল বিতর্কের সূচনা করেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, “আমার জীবনসঙ্গী রাজীব গান্ধীই সংসদ এই বিল এনেছিলেন।”
বিশেষজ্ঞ মতামত:
মহিলা সংরক্ষণ বিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কিন্তু, এই বিল বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
দক্ষ মহিলা জনশক্তির অভাব
যথেষ্ট পরিমাণে নারী-বান্ধব কর্মপরিবেশ তৈরি করা
নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও বৈষম্য দূর করা
এই চ্যালেঞ্জগুলো দূর করতে হলে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের মানুষের সদিচ্ছা ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন।