এত অফিস দিয়ে কী করবেন কাজল-অজয়? দেখেনিন একঝলকে

বলিউডের তারকাদের মধ্যে অনেকেই তাদের সঞ্চিত টাকা জমি-বাড়িতে বিনিয়োগ করে থাকেন। এবং সেগুলো সাধারণত বহু মূল্যেরই হয়ে থাকে। তবে অ্যাপার্টমেন্ট আর অফিস কেনাকাটায় নজির তৈরি করেছেন বলিউডের তারকা দম্পতি কাজল-অজয় দেবগণ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, গেল জুলাইয়েই অজয় মুম্বাইয়ে অফিসের জন্য একসঙ্গে পাঁচটি স্পেস কিনেছেন বলে খবর আসে। পিছিয়ে নেই তার স্ত্রীও। এর পরের মাসটি ফুরাতে না ফুরাতেই জানা গেল, শহরের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি অফিস কিনেছেন কাজল।

২০৯৫ বর্গফুটের ওই অফিস কিনতে কাজলকে গুণতে হয়েছে প্রায় ৭.৬৪ কোটি টাকা ।

এত অফিস দিয়ে কী করবেন কাজল-অজয়?
জুলাইয়ে পাঁচটি অফিসের জন্য জায়গা কিনতে অজয়ের খরচ হয়েছিল ৪৫.০৯ কোটি টাকা । যে পাঁচটি অফিস একই বহুতল ভবনে। ১৬ তলার দুটি অফিস ঘর কিনতে অজয়ের খরচ হয় ৩০.৩৫ কোটি টাকা । আর ১৭ তলায় ১৪.৭৪ কোটি টাকা খরচ করে আরও তিনটি অফিস ঘর কেনেন এই অভিনেতা।

এখানেই শেষ নয়, চলতি বছরের শুরুতেই মুম্বাইয়ে একটি অ্যাপার্টমেন্টও কেনেন কাজল।

সম্প্রতি শাহরুখ খানের কন্যা সুহানা খান একটি কৃষিজমি কিনেছেন। এছাড়া আলিয়া ভাট-রণবীর কাপুর থেকে শুরু করে অক্ষয় কুমার এবং আরও অনেকেই কেউ বাড়ি কিনে রাখেছেন, কেউ বা অ্যাপার্টমেন্ট কিনে ভাড়া দিয়েছেন।

তবে কাজল ও অজয়ের একসঙ্গে এতগুলো অফিস এবং পাঁচ মাসের ব্যবধানে দুইটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

এ বছর মুক্তি পায় অজয়ের সিনেমা ‘ভোলা’। বড় বাজেটের সিনেমটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। তবে তাতে বিনিয়োগে খামতি নেই অজয়ের।

শোনা যাচ্ছে, অজয় নিজের প্রযোজনায় মন দিতে চান। তবে এতগুলো অফিসের জায়গা অজয় ও কাজল তাদের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থার কাজে লাগাবেন, নাকি ভাড়া দেবেন তা এখনও অজানা।

ক্যারিয়ারে ৩১ বছর পাড়ি দেওয়া কাজল বড় পর্দার চেয়েও এখন ব্যস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। কিছুদিন আগে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় কাজলের ‘লাস্ট স্টোরিজ ২’ সিনেমা। ২০১৮ সালে এ সিনেমার প্রথম পর্বে অভিনয়ের জন্য দারুণ প্রশংসিত হয়েছিলেন কাজল।

এছাড়া ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হটস্টারে জুলাইয়ে সে ‘দ্য ট্রায়াল’। সেখানে আইনজীবীর চরিত্র করেছেন তিনি। সিরিজটি জনপ্রিয় ওয়েব শো ‘দ্য গুড ওয়াইফ’ এর হিন্দি রিমেক। আগামীতে অজয় ঘরনীকে দেখা যাবে ‘দো পাত্তি’ সিনেমায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *