OMG! মোবাইল নিয়ে যমজ বোনের সঙ্গে ঝগড়া, শেষে গলায় দড়ি দিলো চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী

নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে মোবাইল ফোন নিয়ে বিবাদের জেরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার রাতে ওই ছাত্রীর মা-বাবা ঘরে না থাকার সময় সে তার নিজের ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়েছিল। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে।
ছাত্রীর নাম দিশা বিশ্বাস। সে কৃষ্ণগঞ্জের কাদাঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা-মা দুজনেই দিনমজুর। দিশার বড় বোন আছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দিশা এবং তার বড় বোন দুজনেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করত। রবিবার রাতে দিশার বোন তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এতে দিশা রাগান্বিত হয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
এই ঘটনায় এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘বোনে-বোনে মোবাইল নিয়ে ঝগড়া করে বাচ্চাটা মারা গিয়েছে। গলায় দড়ি গিয়ে মারা গেল।’ পাশাপাশি মৃতার এক আত্মীয় বলেন, ‘চিৎকার চেঁচামেচি ও কান্নাকাটি শুনে আমরা দৌড়ে যাই। গিয়ে দেখি সবাই জল ঢালাঢালি করছে। সঙ্গে সঙ্গে মোটর সইকেলে করে এখানে (হাসপাতালে) নিয়ে আসি।’
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
এদিকে, দিশার আত্মহত্যার খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার পরিবারের সদস্যরাও শোকস্তব্ধ। তারা দিশাকে ফিরিয়ে পেতে চান।
এই ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যাগুলি খুব গুরুতর হতে পারে। যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে দয়া করে সাহায্য নিন। আপনি একজন থেরাপিস্ট, কাউন্সেলর বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলতে পারেন। আপনি আপনার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের সাথেও কথা বলতে পারেন।আপনি যদি আত্মহত্যার কথা ভাবছেন, তাহলে দয়া করে সাহায্য নিন। আপনি একটি মানসিক স্বাস্থ্য হটলাইনে কল করতে পারেন বা একটি মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনি আপনার পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের সাথেও কথা বলতে পারেন।আপনি একা নন। সাহায্য পাওয়া যায়।